বিয়ের প্রলোভনে যুবতির সাথে দৈহিক সম্পর্ক ও গর্ভে সন্তান জন্ম দিয়ে এক লম্পট পূরুষ সম্পুর্ণ ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে অসহায় ইসমত আরার গর্ভজাত দু’মাস বয়সি ফুটফুটে চাঁদের মতো সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবীতে সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। সে আদৌ কুল-কিনারা পাবেন কী ? না শেষ পর্যন্ত যতোসব অপবাদের ঝুলি নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হবে মা-সন্তানকে।
অভিযোগে প্রকাশ, উপজেলার উত্তর ধূরুং ফয়জানি পাড়ার অসহায় নুরুন্ নাহার প্রকাশ নারু বেগমের সাথে বিয়ে হয় চকরিয়া দরবেশ কাটার নুরুল আলমের। জন্মের কয়েক বছরে মাথায় তার পিতা-মাতার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে বহু কষ্টে মায়ের সংসারে বড় হয় ইসমত আরা। বড়ঘোপ জুলেহার পাড়ার নুরুল হুদার পুত্র মুহাম্মদ ইউনুছ আত্মীয়তার সুবাদে ইসমত আরার বাড়ীতে আসা-যাওয়ার ফাঁকে তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে যৌতুক ছাড়াই তিন লাখ টাকায় কাবিন দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে বিবাহের
হলফ নামা সৃজনের জন্য অলিখিত ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় ইসমত আরার। এমনকি জনৈক ব্যক্তিকে কাজী অফিসের কর্মচারী পরিচয়ে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে স্থানীয় এক মৌলভী দ্বারা আক্বদ পড়ায়। মাত্র আট মাসের মাথায় প্রতারক ইউনুছ তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ইতোমধ্যে ইসমত আরার কুলে এক ছেলে সন্তান ভুমিষ্ট হয়। তার পরেও খোঁজ-খবর না নেয়ায় ইসমত আরা ও তার মা নুরুন্ নাহার গত ২৭ জুন ইউনুছের ঘরে আসলে মা-মেয়ে বেদড়ক লাটিপেটা করে। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুতুবদিয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। একই এলাকার কৃতি সন্তান সুর্যোদয়ের দেশ জাপানের ওথাই বিশ্ব বিদ্যালয়ের ক্যামিষ্ট্রি বিভাগের লেকচারার ড. মুহাম্মদ শাহ্জাহান ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া সফরে আসলে বিষয়টি অবগত হয়ে সুরাহা করার জন্য স্থানীয় ফরিদ কোম্পানী, হাফেজ ফজলুল করিমসহ গন্যমান্যদের দায়িত্ব দেয়ার কথা জানান। এ ঘটনায় অসহায় ইসমত আরা আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তাকে।
অভিযোগে প্রকাশ, উপজেলার উত্তর ধূরুং ফয়জানি পাড়ার অসহায় নুরুন্ নাহার প্রকাশ নারু বেগমের সাথে বিয়ে হয় চকরিয়া দরবেশ কাটার নুরুল আলমের। জন্মের কয়েক বছরে মাথায় তার পিতা-মাতার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে বহু কষ্টে মায়ের সংসারে বড় হয় ইসমত আরা। বড়ঘোপ জুলেহার পাড়ার নুরুল হুদার পুত্র মুহাম্মদ ইউনুছ আত্মীয়তার সুবাদে ইসমত আরার বাড়ীতে আসা-যাওয়ার ফাঁকে তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে যৌতুক ছাড়াই তিন লাখ টাকায় কাবিন দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে বিবাহের
হলফ নামা সৃজনের জন্য অলিখিত ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় ইসমত আরার। এমনকি জনৈক ব্যক্তিকে কাজী অফিসের কর্মচারী পরিচয়ে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে স্থানীয় এক মৌলভী দ্বারা আক্বদ পড়ায়। মাত্র আট মাসের মাথায় প্রতারক ইউনুছ তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ইতোমধ্যে ইসমত আরার কুলে এক ছেলে সন্তান ভুমিষ্ট হয়। তার পরেও খোঁজ-খবর না নেয়ায় ইসমত আরা ও তার মা নুরুন্ নাহার গত ২৭ জুন ইউনুছের ঘরে আসলে মা-মেয়ে বেদড়ক লাটিপেটা করে। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুতুবদিয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। একই এলাকার কৃতি সন্তান সুর্যোদয়ের দেশ জাপানের ওথাই বিশ্ব বিদ্যালয়ের ক্যামিষ্ট্রি বিভাগের লেকচারার ড. মুহাম্মদ শাহ্জাহান ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া সফরে আসলে বিষয়টি অবগত হয়ে সুরাহা করার জন্য স্থানীয় ফরিদ কোম্পানী, হাফেজ ফজলুল করিমসহ গন্যমান্যদের দায়িত্ব দেয়ার কথা জানান। এ ঘটনায় অসহায় ইসমত আরা আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তাকে।