Education লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Education লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কেন ব্যবহার করবেন জানতে ক্লিক করুন:

স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কেন ব্যবহার করবেন জানতে ক্লিক করুন:

 

স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বিভিন্ন কাজ সহজ এবং দক্ষভাবে পরিচালনা করার জন্য ডিজাইন করা হয়। এর কিছু প্রধান ফিচার হতে পারে:
সবকিছু আমরা করে দিচ্ছি- কুতুবদিয়া কম্পিউটার একাডেমি Kutubdia Computer Academy 01811-975919



অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ও ভর্তি ফর্ম
স্টুডেন্ট ডেটাবেস পরিচালনা
ক্লাস বা বিভাগ অনুযায়ী ছাত্রদের তালিকা
ফি কাঠামো নির্ধারণ
অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে
ফি রিসিপ্ট জেনারেশন
ডিফল্টার রিপোর্ট
পরীক্ষার সময়সূচি তৈরি
নম্বর জমা এবং ফলাফল প্রকাশ
্যাঙ্কিং এবং গ্রেড রিপোর্ট
ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি
শিক্ষক ও ছাত্রদের উপস্থিতি রেকর্ড
বায়োমেট্রিক ইন্টিগ্রেশন
অনুপস্থিতির বিষয়ে প্যারেন্ট নোটিফিকেশন
কোর্স কারিকুলাম পরিকল্পনা
ক্লাস রুটিন
ছুটি ও গুরুত্বপূর্ণ তারিখের নোটিফিকেশন
কর্মচারীদের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ
বেতন ব্যবস্থাপনা
কাজের সময়সূচি
বইয়ের তালিকা ও ইনভেন্টরি
অনলাইন বুক ইস্যু ও রিটার্ন
দেরি ফি ক্যালকুলেশন
এসএমএস/ইমেইল নোটিফিকেশন
পোর্টাল বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অভিভাবক-শিক্ষক যোগাযোগ
স্কুলের বিজ্ঞপ্তি ও ঘোষণা
ছাত্র ও অভিভাবকদের জন্য আলাদা পোর্টাল
পরীক্ষার ফলাফল, উপস্থিতি এবং ফি সম্পর্কিত তথ্য
ক্লাস ম্যাটেরিয়াল শেয়ারিং
আয়-ব্যয়ের হিসাব
বাজেট এবং রিপোর্ট জেনারেশন
বার্ষিক আর্থিক বিবরণী
বাস রুট এবং সময়সূচি
জিপিএস ট্র্যাকিং
ট্রান্সপোর্ট ফি ম্যানেজমেন্ট
স্টুডেন্ট পারফরম্যান্স অ্যানালাইসিস
স্টাফ কার্যক্রম বিশ্লেষণ
বিভিন্ন বিভাগের অগ্রগতি এবং ফলাফল রিপোর্ট
স্কুলের চাহিদা অনুযায়ী ফিচার যোগ বা পরিবর্তন
মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট
এগুলো স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারকে একটি পূর্ণাঙ্গ সিস্টেম হিসেবে গড়ে তোলে।
বিস্তারিত পড়ুন

স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যে সুবিধাগুলো পেয়ে থাকে:

স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যে সুবিধাগুলো পেয়ে থাকে:

 স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নানা সুবিধা পেতে পারে। এর প্রধান সুবিধাগুলো হলো:

Facebook Link আমরা সার্ভিসগুলো প্রদান করে থাকি।



ম্যানুয়াল কাজগুলো ডিজিটাল হওয়ার ফলে সময় কম লাগে।
স্বয়ংক্রিয় রিপোর্ট জেনারেশনের মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
ছাত্র, শিক্ষক, এবং স্টাফের সমস্ত তথ্য এক জায়গায় সংরক্ষণ করা যায়।
সহজে ডেটা খোঁজা এবং আপডেট করা যায়।
শিক্ষক এবং প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ সহজ এবং দক্ষ হয়।
একাধিক কাজ এক প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন করা সম্ভব।
হিসাব-নিকাশ এবং উপস্থিতি রেকর্ডে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে যে সঠিক তথ্য সংরক্ষণ হচ্ছে।
ম্যানুয়াল সিস্টেমের পরিবর্তে ডিজিটাল সিস্টেমে ব্যয় কম হয়।
কাগজের ব্যবহার হ্রাস পাওয়ায় খরচ কমে।
মোবাইল অ্যাপ বা পোর্টালের মাধ্যমে অভিভাবকরা সন্তানের উপস্থিতি, ফলাফল এবং ফি সম্পর্কিত তথ্য জানতে পারেন।
স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ এবং ইভেন্ট সম্পর্কে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন পাওয়া যায়।
ফি কালেকশন এবং পেমেন্ট সিস্টেম সহজ হয়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা এবং অডিটিং সহজ হয়।
প্রতিটি ছাত্রের একাডেমিক পারফরম্যান্স সহজেই ট্র্যাক করা যায়।
দুর্বল ছাত্রদের উন্নতির জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব।
স্কুল আধুনিক প্রযুক্তির সাথে খাপ খাওয়াতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইমেজ উন্নত হয়।
একাধিক বিভাগ, যেমন: অ্যাডমিশন, লাইব্রেরি, ট্রান্সপোর্ট, একাউন্টিং—সবই এক প্ল্যাটফর্মে পরিচালনা করা যায়।
ছাত্র, শিক্ষক এবং স্কুলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের অ্যানালিটিক্যাল রিপোর্ট পাওয়া যায়।
সঠিক এবং ডেটা-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।
সফটওয়্যার স্কুলের নির্দিষ্ট প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা যায়।
মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্টের মাধ্যমে স্থানীয় ভাষা ব্যবহার করা সম্ভব।
এই সুবিধাগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসন এবং শিক্ষার মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিস্তারিত পড়ুন

'স্কুলগুলো অকার্যকর বলেই শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ে উৎসাহি'

'স্কুলগুলো অকার্যকর বলেই শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ে উৎসাহি'


সাম্প্রতিক দেশকাল প্রতিবেদক
শিক্ষার মান নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন, স্কুলগুলো অকার্যকর বলেই অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের কোচিং আর গাইড বই পড়তে উৎসাহিত করছে।
 
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের উপস্থিতিতে এই মন্তব্য করেন তিনি।
 
ক্যাডেট কলেজের আদলে জেলা স্কুলগুলোকে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন এই শিক্ষাবিদ।
 
অনুষ্ঠানে ডক্টর জাফর ইকবাল, ডক্টর কায়কোবাদ, সুলতানা কামাল, রাশেদা কে চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বক্তৃতা করেন।  

বিস্তারিত পড়ুন

মৌলিক সংখ্যা মনে রাখার কৌশল

মৌলিক সংখ্যা মনে রাখার কৌশল
মৌলিক সংখ্যা মনে রাখার কৌশল
বিসিএস সহ সকল চাকরির পরীক্ষায় এই টপিকস থেকে প্রশ্ন আসে তাই গুরুত্বদিন
———————————————————————————
—————–
প্রতিনিয়ত পরীক্ষাতে একটা প্রশ্ন দেখা যায়, ১ থেকে ১০০ অথবা ১০ থেকে ৩০ এর মাঝে কত টি মৌলিক সংখ্যা আছে? কিন্তু আমরা সবাই এইটা ভুল করে থাকি।
আমি ভুল করতে করতে একটা বইয়ে দেখেছিলাম অনেক সহজে মনে রাখা যায় । আমি ও আপনাদের জন্য আজ সেই বিষয় টি নিয়ে আলোচনা করবো। মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যে সংখ্যা ১ এবং সেই সংখ্যা বাদে অন্য কোন সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়।এক কথায় ১ এবং সেই সংখ্যা বাদে যে সংখ্যাকে নিঃশেষ ভাগ করা যায় না তাই মৌলিক সংখ্যা। যেমন, ৫৩ এই সংখ্যাটি কে শুধু ১ এবং ৫৩ দিয়ে বিভাজ্য করা যায় । কিন্তু অন্য কোন সংখ্যা দিয়ে বিভাজ্য করতে গেলে হবে না তাই এইটা একটা মৌলিক সংখ্যা।
এখন আপনাদের দেখাবো ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত কতটি মৌলিক সংখ্যা আছে এবং কি ভাবে আছে।
এই টা মনে রাখার একটা কোড আছে যা হচ্ছেঃ ৪৪২২৩ ২২৩২১
এখানে ১-১০ এর মাঝে আছে= ৪ টি সংখ্যা গুলোঃ ২, ৩, ৫, ৭,
১০-২০ এর মাঝে আছে= ৪ টি সংখ্যা গুলোঃ ১১, ১৩, ১৭, ১৯
২০-৩০ এর মাঝে আছে= ২ টি সংখ্যা গুলোঃ ২৩, ২৯,
৩০-৪০ এর মাঝে আছে= ২ টি সংখ্যা গুলোঃ ৩১, ৩৭
৪০-৫০ এর মাঝে আছে= ৩ টি সংখ্যা গুলোঃ ৪১, ৪৩, ৪৭
২য় অংশঃ ৫০-৬০ এর মাঝে আছে= ২ টি সংখ্যা গুলো ঃ ৫৩, ৫৯
৬০-৭০ এর মাঝে আছে= ২ টি সংখ্যা গুলোঃ ৬১, ৬৭
৭০-৮০ এর মাঝে আছে= ৩ টি সংখ্যা গুলোঃ ৭১, ৭৩, ৭৯
৮০-৯০ এর মাঝে আছে= ২ টি সংখ্যা গুলোঃ ৮৩, ৮৯
৯০-১০০ এর মাঝে আছে= ১ টি সংখ্যা গুলোঃ ৯৭
এই টা তো গেলো ১থেকে ১০০ পর্যন্ত তার থেকে বড় হলে কি করবেন ১২৩৭৮৩ এই সংখ্যা হলে আপনাদের জন্য সহজ করে দিচ্ছি, সংখ্যা গুলো যোগ করবেন যেমন ১+২+৩+৭+৮+৩=২৪ এখন এই টা কে ভাগ করেন যদি নিঃশেষে ভাগ হয় তা হলে এইটা মৌলিক সংখ্যা না।
আজকের মত এই পর্যন্ত শেষ ,আবার দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে আর সবার কোমেন্ট আশা করি ।
কোন ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
বিস্তারিত পড়ুন

পরীক্ষার হলে নিষিদ্ধ সব ধরণের ঘড়ি

পরীক্ষার হলে নিষিদ্ধ সব ধরণের ঘড়ি


নকল এড়াতে পরীক্ষার হলে সকল প্রকার ঘড়ির ব্যবহার বন্ধ করল জাপানের এক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, পরীক্ষাকে নকলমুক্ত করার লক্ষ্যে সব ধরণের ঘড়ি নিষিদ্ধ করেছে জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের মধ্যে কিয়োটোই প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে সব ধরণের ঘড়ি নিষিদ্ধ করা হলো। যদিও অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানের স্কুলগুলোতে এরকম নীতি অনুসরণ করা হয়। অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের স্কুলগুলোতে এধরণের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র এপি প্রোগ্রাম এবং স্যাট টেস্ট সেন্টার পরীক্ষার হলে স্মার্ট ওয়াচ নিয়ে আসার ব্যাপারে আইন প্রণয়ন করেছে।
জাপানের অন্যতম সেরা নকল কেলেঙ্কারিতে লেগে আছে কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। ২০১১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির এক ছাত্র পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে অনলাইনে পোস্ট করে। এরপর অনলাইনে থাকা মানুষদের থেকে উত্তর নেওয়ার চেষ্টা করে সে। এখন আবশ্যিকভাবেই বেশিরভাগ পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ।
বিস্তারিত পড়ুন