LOVE লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
LOVE লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বাচ্চা হওয়ার পরও কীভাবে ফিটনেস ধরে রাখবেন?

বাচ্চা হওয়ার পরও কীভাবে ফিটনেস ধরে রাখবেন?

বাচ্চা হওয়ার পরও কীভাবে ফিটনেস ধরে রাখবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, বাংলামেইল২৪ডটকম

ঢাকা: বাচ্চা হওয়ার পর বেশিরভাগ নারীই মোটা হয়ে যান। এসময় অনেকেই নিজের দিকে তেমন নজর দেন না। এমনকি নিজের ফিটনেসকেও গুরুত্ব দেন না। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বাচ্চা হওয়ার পর শরীরের ফিটনেস ফিরিয়ে আনা শুধুমাত্র সৌন্দর্য রক্ষার জন্যেই নয় বরং স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও প্রয়োজনীয়। অনেকে মনে করেন ফিটনেস পুনরায় ফিরিয়ে আনা অনেক কষ্টসাধ্য কাজ। কিন্তু ব্যাপারটি মোটেও তা নয়।    
মা হাওয়ার পরে আপনার শরীরে কিছু পরিবর্তন আসবেই কিন্তু তা স্থায়ী নয়। আপনি চাইলে নিজেকে ফিট রাখতে পারেন আগের মতোই। এ জন্যে আপনার ইচ্ছাটাই যথেষ্ট। বাচ্চার জন্মের দু’মাস পর থেকে আপনি হালকা ব্যায়াম শুরু করতে পারেন এবং ধীরে ধীরে তা বাড়াবেন। আপনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট নিয়মে ব্যায়াম করে যেতে হবে। বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর ফলেও ধীরে ধীরে আপনার ওজন কমতে থাকবে।
ঘরের যে কাজগুলো করতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন সে কাজগুলো প্রতিদিন নিয়ম করে করার চেষ্টা করুন। কাজ করলে ওজন কমবে পাশাপাশি ওজন কমানোটা আপনার কাছে বাড়তি কোনো কাজ মনে হবেনা। নতুন মায়েদের জন্য যোগব্যায়াম খুবই সহায়ক। শরীরচর্চাবিদের সঙ্গে কথা বলে আপনি ঘরেই যোগব্যায়াম করতে পারেন। এছাড়া নিয়মিত হাঁটা বা জগিং করতে পারেন।
বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় অতিরিক্ত ডায়েট করা ঠিক নয় বরং পরিমিত খান। আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ফলমূল, শাক, শিম এবং দুগ্ধজাত খাবার রাখুন। তিনবেলা খাবারের মাঝে হালকা খাবার খান।
প্রত্যেকের শরীরের গঠন ভিন্ন তাই আপনার জন্যে কোন খাবার ভালো এবং কী ধরনের ব্যায়াম উপযোগী তা চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিতে পারেন।
বাংলামেইল২৪ডটকম/এএন/টিটি
বিস্তারিত পড়ুন

২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন সহিংসতা প্রতিরোধ দিবস.. সফল হোক

২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন সহিংসতা প্রতিরোধ দিবস.. সফল হোক


► একটি মেয়ে যখন আপনার বোন,তখন আপনি তার "দায়িত্ববোধ" অনুভব করতে পারেন

► একটি মেয়ে যখন আপনার বন্ধু, তখন আপনি তার "আবেগ" অনুভব করতে পারেন
► একটি মেয়ে যখন আপনার প্রেমিকা, তখন আপনি তার "প্রবল অনুরাগ" অনুভব করতে পারেন
► একটি মেয়ে যখন আপনার স্ত্রী, তখন আপনি তার "ত্যাগ ও ধৈর্য" অনুভব করতে পারেন
► একটি মেয়ে যখন আপনার সন্তান, তখন আপনি তার "নিষ্পাপতা" অনুভব করতে পারেন
► একটি মেয়ে যখন আপনার মা, তখন আপনি তাঁর "প্রকৃত ভালোবাসা" অনুভব করতে পারেন ✿
একটি মেয়ে,স্রষ্টার অন্যতম সেরা সৃষ্টি।।
ইভটিজিং এর পূর্বে আরেকবার ভেবে দেখবেন কি ??
২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন সহিংসতা প্রতিরোধ দিবস.. সফল হোক
বিস্তারিত পড়ুন

ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন?

ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন?

ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন?

ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন?

ব্যাপারটা খুব সচরাচর দেখা যায়। তবে কী কারণে মেয়েরা সেটা করে তা বলা মুশকিল। তবে ওড়না ঠিক করার ধরণভেদে সেটার বিভিন্ন অর্থ হতে পারে।
ধরণ একঃ (মাথায় ওড়না ঠিক করা)
কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে। এটার কারণ মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ। মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।
ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )
নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে তা্র মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুন কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে। গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তারা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে। এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তার মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।
মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না। যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোনো না কোনোভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে। যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।
বিস্তারিত পড়ুন




কিশোরীর প্রথম ঋতুর আগের লক্ষণ


period {focus_keyword} কিশোরীর প্রথম ঋতুর আগের লক্ষণ periodঢাকা: প্রথম ঋতুর কখন হবে তা কিশোরীরা বুঝতে পারে না। কারণ আমাদের দেশের কিশোরীদের ঋতু সম্পর্কে কোনো ধারনাই থাকে না। ফলে প্রথম ঋতুতে কাপড়ে রক্ত লেগে তারা বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ে। কেউ কেউ ভয় পায়, কেউ ভয়ে মা বা বাড়ির বড় কাউকে জানায় না। এ অবস্থায় মানসিকভাবে সে বিভিন্ন জটিলতার মুখে পড়ে।
কিন্তু কিশোরীর প্রথম ঋতুর সময়টি এমন হওয়া উচিত নয়। সচেতনভাবেই বাড়ির বড়দের বিষয়টি দেখা উচিত। কিন্তু কখন ঋতু শুরু হবে তা অনেকেই বোঝেন না। ঋতু শুরু হওয়ার আগে কিছু কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। সেগুলো একটিু খেয়াল করলেই কিশোরীর নারী হওয়ার সময়টি সহজ হয়ে যায়।
সাধারণত ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যেই কিশোরী শরীর ও মনে নারী হয়ে ওঠে। আর শরীরের দিক দিয়ে নারী হয়ে ওঠার বিষয়টিই হলো ঋতুস্রাব। জেনে নেয়া যাক কিশোরীর প্রথম ঋতুস্রাবের আগে কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়।
লক্ষণ
১. স্তনের বোঁটা ফুলে ওঠা এবং স্পর্শে ব্যথা লাগা ২. মাথা ব্যথা ৩. মাথা ঘোরা ৪. অবসাদ ৫. খাবারের প্রতি তীব্র আগ্রহ ৬. গ্যাস হওয়া বা ঢেকুর তোলা এবং ওজন বৃদ্ধি ৭. মুখে ব্রুণ হওয়া ৮. মেজাজের পরিবর্তন, বিরক্তিভাব বেড়ে যাওয়া, অস্থিরতা এবং বিষাদগ্রস্ততা ৯. ডায়রিয়া কিংবা কোষ্ঠকাঠিণ্য।
আর এসব লক্ষ প্রকশের আগেই কিশোরীকে ঋতু সম্পর্কে ধারণা দেয়া বাড়ির মা বোন বা ভাবিদের কর্তব্য। সেইসঙ্গে তাকে স্যানিটারি ন্যাপকিনও ব্যবহারও শিখিয়ে দেয়া উচিত।

বিস্তারিত পড়ুন

নারী পটানোর ১০টি সহজ উপায়

নারী পটানোর ১০টি সহজ উপায়


সব ছেলেরাই চায় তাদের একটি সুন্দরী প্রেমিকা থাকুক। সেই অনুযায়ী চেষ্টাও করেন তারা। তবে বেশিরভাগ সময়েই কপালে জুটে ব্যর্থতার তিলক। কেন এমন হয়? কারণ তারা নিজেদের ব্যাপারেই সচেতন থাকেন না ঠিকমতো, আরেকজনকে দেখে রাখবেন কি!

যে দশটি ব্যাপারে সচেতন হলে প্রত্যেকটা ছেলের ভাগ্যেই জুটবে সুন্দরী প্রেমিকা। সেই সহজ দশটি ব্যাপার দেয়া হলো নিচে-
১. চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। আলাপের সময় তার দেহের দিকে তাকাবেন না। এতে আপনার প্রতি তার বিরূপ ধারণা তৈরি হবে।
২. পরিপাটি থাকুন। নারীরা সব সময় তার সঙ্গীর পরিপাটি ও সুগন্ধময় পরিধেয় ভালবাসেন।
৩. তাকে সহায়তা করুন। মেয়েরা সব সময় সহযোগীদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। যেমন কোট পরিধানে হাত বাড়িয়ে দিন। নারীর সেবায় উদার হোন।
৪. তার বন্ধুদের প্রতি সামাজিক হোন। তাদের নিজের মতো আপন করে নিন। মেয়েরা সামাজিক ও মিশুকদের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
৫. একসঙ্গে থাকাবস্থায় ফোন পরিহার করার চেষ্টা করুন। ফোনে কথা বলার সময় বোঝাতে চেষ্টা করুন আপনি তার প্রতি মনোযোগী। তার প্রতি আপনার পূর্ণ আকর্ষণ রয়েছে।
৬. তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করুন বিশেষত তার সম্পর্কে। মেয়েরা সব সময় তার ব্যাপারে আলোচনা পছন্দ করে। যেমন তার ভাল লাগা, প্রিয় জিনিস ইত্যাদি।
৭. কোথাও প্রবেশের সময় আগে গিয়ে দরজা খুলে তাকে স্বাগতম জানান। এ বিষয়টি নারীদের ভীষণ প্রিয়।
৮. তার অ্যাপেয়ারেন্সের প্রশংসা করুন। যেমন তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে। এ পোশাকে তোমাকে ভাল মানায় ইত্যাদি।
৯. তার থেকে পরামর্শ নিন। যেমন কোন কাজ শুরু করার আগে মতামত চাওয়া। এতে সে ভাববে আপনি তাকে গুরুত্ব দেন।
১০. তার ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরুন। যেমন তোমাকে হাসিখুশি মনে হয়। তোমার সব কাজই ভাল হয়। তুমি অনেক পজিটিভ ইত্যাদি।
বিস্তারিত পড়ুন